এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা—দুটিই কমেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের পরপরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৫৭০টি কলেজ থেকে ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ হাজার ৬৬৮ জন। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেছেন ১৫ হাজার ১৬৭ জন, মানবিক বিভাগ থেকে ৩০ হাজার ১৯১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৫ হাজার ৩১০ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্র ১ হাজার ১৭ জন ও ছাত্রী ৮৪১ জন। মানবিক বিভাগে ছাত্র ২৬৮ জন ও ছাত্রী ৮৯৭ জন। আর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্র ৭৩ জন ও ছাত্রী ১৩২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর যশোর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৯৯৫ জন। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২ হাজার ৭৬৭ জন। এ বছর যশোর বোর্ডে শতভাগ পাস করেছে মাত্র তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, ১৬টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অনলাইনে ফল জানবেন যেভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এ জন্য ওয়েবসাইটের ‘Result’ বিভাগে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে ফল ডাউনলোড করতে হবে। অন্যদিকে পরীক্ষার্থীরা eduboardresults.gov.bd, educationboardresults.gov.bd অথবা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফল জানতে পারবেন। এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘HSC DHA 123456 2026’ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। এখানে DHA-এর জায়গায় নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর এবং 123456-এর জায়গায় পরীক্ষার রোল নম্বর বসাতে হবে। উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। এসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। বিডি-প্রতিদিন/এমএল
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।