প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
‘পাকিস্তানের সঙ্গে জার্সি বদল কিংবা আলিঙ্গনে কোনো আপত্তি নেই’
||
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি রোমাঞ্চ আর উত্তেজনার পারদ। ক্রিকেটের মতো ফুটবলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই দলের লড়াই নিয়ে সমর্থকদের কৌতূহল শেষ হয় না। তবে মাঠের এই লড়াইকে ৯০ মিনিটেই সীমাবদ্ধ রাখতে চান ভারতের কোচ নওশাদ মুসা।ঢাকার মাটিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচের আগের দিন স্পষ্ট বার্তায় তিনি জানান, লড়াইটা শুধু ম্যাচের ওই ৯০ মিনিটের জন্যই। ম্যাচ শেষে পাকিস্তানি ফুটবলারদের সঙ্গে জার্সি বদল কিংবা আলিঙ্গন করতেও ভারতীয় দলের কোনো আপত্তি নেই।বৃহস্পতিবার পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। ম্যাচটি শুরু হবে বেলা সাড়ে ৩টায়। সরাসরি দেখাবে টি-স্পোর্টস।আসরের আগে কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে ভারত। দলের একাংশ নিউজিল্যান্ড সফরে থাকায় এবং ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) ব্যস্ততার কারণে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে ঢাকায় আসতে পারেননি ভারতীয় কোচ। বর্তমান স্কোয়াডটি মূলত তরুণ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ফুটবলারদের মিশেলে গড়া।সংবাদ সম্মেলনে দল নিয়ে ওঠা নানা প্রশ্নের জবাবে কোচ নওশাদ মুসা সাফ জানিয়ে দেন, এই টুর্নামেন্টকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিচ্ছি না। এটি ফিফা উইন্ডো না হওয়ায় এবং ক্লাবের ম্যাচ থাকায় চাইলেও সব খেলোয়াড়কে পাওয়া যায়নি। তবে স্কোয়াডে থাকা তরুণদের নিয়ে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।শিরোপা ধরে রাখার চাপের প্রসঙ্গে ভারতীয় কোচ বলেন, আমি চাপ নিতে ভালোবাসি, আমার খেলোয়াড়রা যেন নির্ভার থেকে খেলতে পারে, সেটাই চাই। ট্রফি ধরে রাখার চিন্তা আমার মাথায় নেই; আমার মূল লক্ষ্য ভালো ফুটবল খেলা। দল ভালো খেললে ফলাফল এমনিতেই আসবে।প্রতিপক্ষ পাকিস্তান নিয়েও যথেষ্ট সতর্ক ভারতের কোচ। অতীতে সাফে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড থাকলেও বর্তমান দলটিকে সম্পূর্ণ আলাদা হিসেবে দেখছেন তিনি।নওশাদের মতে, ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলা ফুটবলাররা যুক্ত হওয়ায় পাকিস্তানি দল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।এদিকে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বাড়তি চাপ নিয়ে ভাবছেন না ভারতীয় অধিনায়ক নাথানও। এটাকে বাড়তি চাপ না ভেবে মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজার করে দেওয়ার অনুপ্রেরণা হিসেবেই দেখছেন তিনি। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলানো বা জার্সি বদল প্রসঙ্গে অধিনায়ক বলেন, অবশ্যই আমরা এটা করব, এটা তো খুব বড় কোনো ব্যাপার নয়।এ বিষয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে কোচ নওশাদ মুসা রসিকতার সুরে যোগ করেন, প্রয়োজন হলে আমরা তাদের জড়িয়ে ধরতেও পিছপা হব না।সব মিলিয়ে, মাঠের লড়াইয়ে ছাড় না দেওয়ার পণ করলেও মাঠের বাইরে দুই দলের খেলোয়াড়দের সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুর আগেই বাড়তি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।বিডি প্রতিদিন/এনইউ
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জনতার খবর বংলাদেশ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত