প্রিন্ট এর তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
ট্রাইব্যুনালে বিদেশি আইনজীবী চেয়ে সালমান এফ রহমানসহ কয়েকজনের আবেদন নাকচ
||
চব্বিশের জুলাই আন্দোলন এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষে বিদেশি দিয়ে মামলা পরিচালনার আবেদনে সাড়া দেয়নি বার কাউন্সিল।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কাউন্সিলের মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বার কাউন্সিল সূত্র। বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে সভায় সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের কোনও আদালতে বিদেশি আইনজীবী দিয়ে মামলা পরিচালনার জন্য বার কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হয়। সে অনুযায়ী আসামিরা বার কাউন্সিল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বরাবর আবেদন করেছেন।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও সাংবাদিক ফারজানা রুপাসহ অন্তত ৫ জন আসামি বিদেশি আইনজীবীর অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ১১ নম্বর ধারার ৮ উপধারায় বলা আছে, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, বার কাউন্সিলের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে ট্রাইব্যুনাল কোনো বিদেশি আইনজীবীকে মামলা পরিচালনার অনুমতি দিতে পারবে। বার কাউন্সিল যুক্তিসংগত কোনো কারণ ছাড়া এই অনুমতি প্রদান আটকে রাখবে না।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক অপরাধ (আইন), ১৯৭৩–এর আওতায় ২০১০ সালের ২৫ মার্চ প্রথমে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে তখন জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের বিচার করা হয়। সে সময় জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযম, আমীর মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করা হয়েছিল। বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষেও বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করা হয়েছিল। তবে তখনকার বার কাউন্সিল বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের কোনো আবেদনে সাড়া দেয়নি।
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জনতার খবর বংলাদেশ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত