প্রিন্ট এর তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠার দিনে ইয়ানসেনের মাইলফলক
মো: রবিউল ইসলাম ||
দিনের শুরুতেই সুখবরটা পেয়ে যাওয়ার কথা তাঁর। আইসিসির হালনাগাদ টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে দুটি তালিকার শীর্ষে উঠেছেন—বোলার হিসেবে, অলরাউন্ডার হিসেবেও।
এমন একটা সুখবর পাওয়ার দিনটাকে পরে বল হাতেও রাঙিয়েছেন মার্কো ইয়ানসেন। ম্যাট রেনশ ও ক্যামেরন গ্রিনের জুটি যখন চোখ রাঙাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিচ্ছে বড় সংগ্রহের দিকে—তখন বাদ সেধেছেন ২৬ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারই। ৭৪ রান করা রেনশকে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ভেঙেছেন ১২৬ রানের জুটি, পরের ওভারে স্লিপে ক্যাচ করে ফেরত পাঠিয়েছেন ৬৫ রান করা গ্রিনকেও।
কেপটাউনে কাল টানা ২ ওভারে উইকেট শিকারে একটি কীর্তিতেও নাম লিখিয়েছেন ইয়ানসেন। রেনশর উইকেটটি ছিল টেস্টে তাঁর শততম। বলের হিসাবে টেস্ট ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম। উইকেটের সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে ইয়ানসেনের লেগেছে ৩৮৬৪ বল।
বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সংরক্ষিত তথ্য অনুসারে, টেস্টে এর চেয়ে কম বলে ১০০ উইকেট আছে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকারই ডেল স্টেইন (৩৬৩১) ও ভারনন ফিলান্ডারের (৩৭৯২)।ইয়ানসেনের ওই জোড়া ধাক্কার আগে–পরে অবশ্য অস্ট্রেলিয়াই ভালো খেলেছে।
ট্রাভিস হেড–রেনশর উদ্বোধনী জুটিতে সফরকারীরা পেয়ে যায় ৫৮ রানের ভিত্তি। এর মধ্যে ৪১ রানই ছিল হেডের। সাইমন হারমারের স্পিনে হেড বোল্ড হওয়ার পর মারনাস লাবুশেন থিতু হতে পারেননি, ক্যাচ তুলে ফেরেন শূন্য রানে। এরপরই গ্রিনকে নিয়ে শতরানের জুটি গড়েন রেনশ।
চা–বিরতির কিছুক্ষণ আগে ইয়ানসেন দুজনকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১৮৫। সেখান থেকে আরেকটি বড় জুটি গড়েছেন জশ ইংলিস ও অ্যালেক্স ক্যারি। দিনের তৃতীয় সেশন পুরোটাই কাটিয়ে দিয়েছেন এই দুজন।
দ্বিতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া মাঠ ছেড়েছে ৪ উইকেটে ৩৩০ রানে। অর্থাৎ, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসের ৩২৯ পেরিয়ে লিড নেওয়া শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিস ৮৫ এবং ক্যারি ৫১ রানে অপরাজিত।
দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১৪৫ রানের জুটিটি ২০১৪ সালের সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে স্টিভ স্মিথ–শন মার্শের ২৩৩ রানের পর প্রোটিয়াদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম উইকেটে সর্বোচ্চ।
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জনতার খবর বংলাদেশ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত